মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রাকৃতিক সম্পদ

প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ বাহুবল উপেজলা ।এর মধ্যে অন্যতম হল প্রাকৃতিক গ্যাস, বনজ সম্পদ, চা, লেবু, রাবার, বালি প্রভৃতি।

  প্রাকৃতিক গ্যাসঃ ১৯৪৬ সালে বাহুবল উপজেলায় ৭নং ভাদেশ্বর ইউনিয়নের অন্তর্গত রশিদপুর নামক পাহাড়ী এলাকার একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়। এ গ্যাস ক্ষেত্রটির নাম “রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড”। প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পের অধীনে ১৯৯০-৯১ সালে ১টি কূপ খনন করা হয়। পরে ২টি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়। প্রাপ্ত গ্যাস প্রসেস করার জন্য ১৯৯৩ সালে “গ্লাইকল ডিহাইড্রেশন প্ল্যান্ট” এবং গ্যাসের সাথে প্রাপ্ত বিপুল পরিমান কন্ডেনসেন্ট প্রসেস করার জন্য ১৯৯৪ সালে “সিলিকা জেল প্ল্যান্ট” স্থাপন করা হয়। এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে পেট্রোল ও ডিজেল পৃথক করে রাখা এবং গ্যাস প্রবাহ উত্তর-দক্ষিন গ্যাস পাইপ লাইনে সরবরাহ ও বিতরন করা হয়।

 বালিঃ বাহুবল উপজেলার হরিতলা গ্রামের নিকট ফয়জাবাদ পাহাড়ের পাদদেশ, মধুপুর চা বাগানের আশেপাশে বিভিন্ন ছড়া সহ করাঙ্গী নদীতে যথেষ্ট পরিমান বালি পাওয়া গেছে। বাহুবলে কি পরিমান বালি মজুদ রয়েছে তার সঠিক হিসাব নেই। সারা বছর ট্রাক ও ট্রাক্টর যোগে এ বালি বিভিন্ন এলাকায় নেওয়া হয়। প্রধানত নির্মান কাজ, সোডিয়াম সিলিকেট তৈরীতে, ইট তৈরীতে এ বালি ব্যবহ্রত হয়। বালি থেকে বছরে প্রচুর রাজস্ব আদায় হয়।

বনজ সম্পদঃ ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী বাহুবলের বনাঞ্চল মিশ্র চিরসবুজ বন বলে পরিচিত। একানে রয়েছে পুটিজুরী বনবিট। সেখানে সেগুন, শিল কড়ই, গর্জন, চাপালিশ, জাম, নাগেশ্বর, গামার, বহেরা, হরতকি, আমলকি ইত্যাদি জাতের গাছ শন ও উলু শন জাতীয় তৃন স্বাভাবিক ভাবে জন্মে থাকে। কাঠ বিড়ালী, খরগোশ, বনবিড়াল, বিভিন্ন জাতের বানর, উল্লুক, হনুমান ছাড়াও পাহাড়ী এলাকায় টিয়া, ময়না, ঘুঘু, ধনেশ, বনমোরগ, মথুরা তিতির ইত্যাদি পাওয়া যায়। অতীতে এ অঞ্চলে চিত্রাহরিন, বনছাগল, হাতী, ডোড়াকাটা বাঘ দেখা যেত। বন ও বন্য প্রানী সংরক্ষনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় বর্তমানে বনজঙ্গলের পরিমান কমে যাচ্ছে এবং বন্যপ্রানী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।